শিব জ্ঞানে জীব সেবা
মানব জীবনে আমরা সমাজ থেকে প্রতিদিন সেবা পেয়ে থাকি। তাই সমাজকেও আমাদের সেবা দেওয়ার দায়িত্ব থেকে যায়। ঈশ্বর রয়েছেন প্রত্যেক জীবের মধ্যেই একথা আমরা শুনে আসছি। স্বামীজি বলেছেন,”বহুরূপে সম্মুখে তোমার ছাড়ি কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর /জীবপ্রেম করে জন সেই জন সেবিছে ঈশ্বর। “সেবা করলে আমাদের মনের প্রসারতা বেড়ে যায়। সেবার মধ্যে দিয়ে এক উপলব্ধির জন্ম হয়ে থাকে। জীবের মধ্যে মানুষ সর্বশ্রেষ্ঠ একথাও আমরা শুনি। সাধকরা বলে থাকেন, মানুষ সাধনার মধ্য দিয়ে নিজের চৈতন্যকে জাগ্রত করতে পারে। মানব সেবার কাজ সর্বাগ্রে করা উচিত বলে সাধু-সন্তরা বলে থাকেন। এক্ষেত্রে স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন,”পরোপকারই ধর্ম,পরপীড়নই পাপ। শক্তি ও সাহসিকতাই ধর্ম। দুর্বলতা ও কাপুরুষতাই পাপ। স্বাধীনতা ধর্ম ও পরাধীনতাই পাপ। অপরকে ভালোবাসাই ধর্ম,অপরকে ঘৃণা করাই পাপ। ঈশ্বরে ও নিজ আত্মাকে বিশ্বাসই ধর্ম,সন্দেহই পাপ। অভেদ-দর্শনই ধর্ম, ভেদ-দর্শনই পাপ।” সেবা কিভাবে করা উচিত তার পথও দেখানো হয়েছে। এ এক সাধনাও। শিবজ্ঞানে জীব সেবা করা। এক্ষেত্রে স্বামীজি বলেছেন,”নররূপী ভগবান এমন খাদে পড়েন নি যে তাঁকে আমি দয়া করবো। বরং তাঁর সেবা পূজা করবো করে আমি নিজে ধন্য হবো।”
সুজন-স্বজন তৈরি হওয়ার কথা বলেছেন তিনি। মানুষের পাশে মানুষ দাঁড়িয়ে শিব জ্ঞানে জীব সেবা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। (ছবি: সংগৃহীত)

